![]()


সুদের টাকা দিতে না পারায় দাদন ব্যবসায়ীরা এনামুল হক (৪৬) নামে এক সিএনজিচালককে মা’রপিটের পর তার কান কে’টে দিয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার উপজে’লার শাজাহানপুরে মাদলা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। রাতে তার স্ত্রী’ নাজমা বেগম পাঁচ দাদন ব্যবসায়ীর বি’রুদ্ধে শাজাহানপুর থা’নায় লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন।
অ’ভিযু’ক্তরা হলেন- শাজাহানপুর উপজে’লার রামকৃষ্ণপুর তালতলা এলাকার মৃ’ত কোরবান আলীর ছে’লে মজনু মিয়া (৪৫), শ্মশানকান্দির বাবু মিয়ার ছে’লে জহুরুল ইস’লাম (৩৬), রামচন্দ্রপুর এলাকার ওয়াজেদ আলীর ছে’লে শফিকুল ইস’লাম (৩৫) ও মো. শাফি (৩০) এবং মৃ’ত আফছার আলীর ছে’লে আজিজার রহমান (৩০)।
এজাহার সূত্র ও নাজমা বেগম জানান, তার স্বামী এনামুল হক ভাড়ায় সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালান। তিনি (নাজমা) শারীরিক অ’সুস্থতার কারণে তিন মাস আগে প্রতিবেশী দাদন ব্যবসায়ী মজনু মিয়ার কাছে কানের সোনার দুল বন্ধক রেখে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ২০ হাজার টাকা ঋণের জন্য তাকে প্রতি সপ্তাহে দুই হাজার টাকা সুদ দিতে হতো।
অ’সুস্থতার কারণে ২-৩ সপ্তাহ সুদের টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন। এতে দাদন ব্যবসায়ী মজনু মিয়া ক্ষুব্ধ হন। তিনি ও তার লোকজন মঙ্গলবার দুপুরে লা’ঠিসোটা নিয়ে বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পর এনামুল হককে মা’রপিট করেন। স্বামীকে বাঁ’চাতে এগিয়ে এলে নাজমাকেও মা’রপিট করা হয়েছে।
এতেও রাগ না কমলে মাটিতে পড়ে যাওয়া এনামুলের কানে ইট দিয়ে আ’ঘাত করা হয়। এতে তার বাম কানের অংশ কে’টে পড়ে যায়। পরে র’ক্তাক্ত এনামুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়।
নাজমা বেগম আরও জানান, তিনি মঙ্গলবার রাতে শাজাহানপুর থা’নায় পাঁচজনের বি’রুদ্ধে লিখিত অ’ভিযোগ করেছেন। তিনি কুখ্যাত দাদন ব্যবসায়ীদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কা’মনা করেছেন।
শাজাহানপুর থা’নার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, একটি লিখিত অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। ত’দন্তসা’পেক্ষে অ’ভিযু’ক্তদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অ’ভিযু’ক্ত মজনুর ফোন বন্ধ ও এলাকায় না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।